For a better experience please change your browser to CHROME, FIREFOX, OPERA or Internet Explorer.
স্মার্টফোন ও মনোযোগ-অসম বৈপরীত্যের গল্প

স্মার্টফোন ও মনোযোগ-অসম বৈপরীত্যের গল্প

বর্তমান পৃথিবীতে আড়াই বিলিয়নেরও বেশি মানুষ স্মার্টফোন ব্যবহার করে এবং তাদের অধিকাংশই এই ডিভাইসটি ছাড়া সময় কাটানোর কথা ভাবতেও পারে না। যার ফলে বর্তমান ডিজিটাল দুনিয়ায় স্মার্টফোন আসক্তি বিশ্বব্যাপী একটি বড় সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে। বিজ্ঞানীদের মতে সব সময় সঙ্গে মোবাইল রাখা কিন্তু মোটেও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস নয়।

মানুষের একইসঙ্গে একাধিক কাজ করা এর এক অভূতপূর্ব ক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু ক্ষমতা থাকলেও বর্তমানে যেন একজন মানুষ কোনো কাজই ঠিকঠাক ভাবে করতে পারছে নাহ। এ বিষয়টি নিয়ে এখন পর্যন্ত যে সকল গবেষণা হয়েছে সেইসব গবেষণার ফলই নেতিবাচক এসেছে। বর্তমান সময়ের গবেষণাগুলো বলছে, স্মার্টফোনের ওপর বেশি মাত্রায় নির্ভরশীলতাই এই সমস্যার মূল কারণ।

আমরা প্রতি ১২ মিনিটে আমাদের ফোন এর নোটিফিকেশন গুলো চেক করি, প্রায়শই ঘুম থেকে ওঠার পরে। সর্বদা এরকম আচরণ দীর্ঘমেয়াদী মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক, এবং ের থেকে বাচার জন্যে অবশ্যই আমাদের স্মার্টফোন থেকে নিজেদের দূরে রাখা শিখতে হবে।

মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষেত্রে মস্তিকের ভুমিকা

Brain & Concentration

কোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে মনোযোগ একটি সীমিত সম্পদের মতো কাজ করে। কোনো সময়ে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি মনোযোগ আপনি একটি কাজে ব্যবহার করতে পারবেন না। আজকাল আমাদের প্রত্যেকেরই বেশিরভাগ মনোযোগ ব্যবহৃত হচ্ছে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ও কন্টেন্টে যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে স্মার্টফোনের এপস এবং সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কিত এপসে।

আমরা এখন আর পুরনো দিনের মতো ফ্যাক্স  কিংবা টেলিগ্রাম মেশিনের দুনিয়ায় বসবাস করছি নাহ। এই ডিজিটাল দুনিয়ায় মোবাইল আর ইন্টারনেট এর অতিরিক্ত ব্যবহার আমাদের এমন এক দুনিয়ার অধিবাসী করে ফেলাচ্ছে যেটি হচ্ছে প্রতিনিয়ত মনোযোগ বিচ্ছিন্ন করার দুনিয়া। কিছু পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতিনিয়ত আমাদের ফোনে গড়ে ৬৩টির বেশি নোটিফিকেশন আসে। ইমেইল ইনবক্সে এই সংখ্যাটি হচ্ছে ৯০। গড়ে প্রতি তিন মিনিটে আমরা মোবাইলের এপস পরিবর্তন করি এবং দিনদিন এই এপস এর বেশিভাগ এপসই হয়ে যাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া এপস।

কোনো কাজে মনোবিঘ্ন ঘটলে আমাদের মস্তিষ্কের দুইটি অঞ্চল নিজদের মধ্যে অনেকটা যুদ্ধে লিপ্ত হয়। এই দুইটি অঞ্চল হচ্ছে, প্যারাইটাল করটেক্স এবং ফ্রন্টাল করটেক্স। প্যারাইটাল করটেক্স মনোবিঘ্ন ধরনের কাজে প্রতিক্রিয়া দেখায়। অন্যদিকে, বুদ্ধিবৃত্তিক বা যে কাজে মনোযোগ ধরে রাখতে হয়, সেখানে ফ্রন্টাল করটেক্স সাহায্য করে। তাই, ফ্রন্টাল করটেক্সের কোনো কাজের মাঝখানে প্যারাইটাল করটেক্স আধিপত্য বিস্তার করতে গেলে আমরা মনোযোগ হারিয়ে ফেলি। অন্যদিকে, ফ্রন্টাল করটেক্স যদি প্যারাইটাল করটেক্সের নিয়ন্ত্রণ রাখে, তখন আমরা ফোকাস করতে পারি। 

কিছু পরিসংখ্যান ও ভয়াবহতা

আমরা প্রত্যেকেই স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে ফেসবুক, ভাইবার, হোয়াটস অ্যাপসহ আরও বিভিন্ন ধরণের স্যোশাল সাইট ব্যাবহার করি। এক গবেষণা এর মতে, একটি নির্দিষ্ট কাজের ফাঁকে ৩০ সেকেন্ড ফেসবুক ব্যবহার করা মানে শুধু ৩০ সেকেন্ড নয়, প্রায় ২৫ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের জন্য কাজের বাইরে চলে যাওয়া। এই সমস্যাকে বলা হচ্ছে ‘ডিজিটাল ডিসট্র্যাকশন’। এছাড়াও বিভিন্ন গবেষনা থেকে প্রাপ্ত ফলাফল নিচে তুলে ধরা হলো,

  1. কোনো একটি নির্দিষ্ট কাজে বাধা পড়লে গড়ে প্রায় ২৩ মিনিট ১৫ সেকেন্ড লাগে পুনরায় অই কাজে মনোযোগ ফিরে পেতে। 
  2. উচ্চ মানসিক চাপ, খারাপ মেজাজ এবং কম উৎপাদনশীলতার কারণ হয়ে দাড়াচ্ছে স্মার্টফোনের ফলে তৈরী হওয়া মনোযোগে বাধা।
  3. যুক্তরাষ্ট্রে মানবসৃষ্ট দুর্ঘটনার ১০ দশমিক ৫ শতাংশ হয় ডিজিটাল ডিসট্র্যাকশনের জন্য এবং ডিজিটাল ডিসট্র্যাকশনের প্রায় ৫০% ডিসট্র্যাকশন হয় বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের জন্যে।
  4. শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে কাটানো সময়ের এক-পঞ্চমাংশ তাদের ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহারে ব্যয় করে যা তাদের শ্রেণিকক্ষের কাজের সঙ্গে জড়িত না।
  5. ইন্টারনেটের যুগে জন্মগ্রহণকারীদের ডিজিটাল নেটিভ বলা হয়। এরা প্রতি ঘণ্টায় গড়ে ২৭ বার কাজ পরিবর্তন করে! 
  6. যদি কোনো শিক্ষার্থী প্রতি ১৫ মিনিটে একবার ফেসবুকে ঢুঁ মারে তবে তার পরীক্ষার ফল খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
  7. কাজের সময় ই-মেইল বা টিভি দেখলে মস্তিষ্কের ভুল অংশে তথ্য জমা হয়। যার ফলে প্রয়োজনের সময় সে তথ্য খুঁজে পেতে সমস্যা হয়।
  8. স্মার্টফোনে অতিরিক্ত আসক্তি থেকে অনেক সময় ‘ফ্যানটম ভাইব্রেশন সিনড্রোম’ নামের মানসিক রোগ দেখা দেয়। এতে মোবাইল ফোনে কল না এলেও মনে হতে থাকে যেন রিং বা ভাইব্রেশন হচ্ছে।

স্মার্টফোন আসক্তির ফলাফল

অতিমাত্রায় স্মার্টফোনের উপর নির্ভরতা মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষতিগ্রস্ততার অন্যতুম প্রধান কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। বর্তমানের এই ডিজিটাল দুনিয়ার সাথে তাল মেলাতে  গিয়ে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সারাক্ষণ স্মার্টফোনের দিকে তাকিয়ে থাকার প্রবণতা বাড়ছে। এতে তারা হাতের মুঠোয় সারা বিশ্বের জ্ঞান নিয়ে আসতে পারছে ঠিকই, কিন্তু তাদের মানসিক ক্ষতিও বাড়ছে। এগুলো মস্তিষ্কের ক্ষমতা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সৃজনশীলতাকে হ্রাস করছে।

মানুষের মস্তিষ্কের মধ্যে সৃষ্ট মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা অতিমাত্রায় সীমিত। মস্তিষ্কের বেশিরভাগ মনোযোগ যদি ফোনের পেছনে দেওয়া হয়, তাহলে অন্যান্য যেকোনো কাজের প্রতি মনোযোগ কমে যায়, কাজ যতই ছোট হোক নাহ কেন। এর ফলে মানুষের সেসব কাজে দক্ষতা কমে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

মানুষের দৃষ্টিসীমার মাঝে একটি ফোন থাকা মানেই মনোযোগ কমে যাবে। মানুষ ছোটখাট কাজ করতে ব্যর্থ হবেন এবং স্মৃতিশক্তি কমে যাবে। ফোন পকেটে, ব্যাগে এমনকি পাশের ঘরে থাকলে মনোযোগে এত ব্যাঘাত ঘটে না। মোবাইলফোন নিয়ে বেশি ঘাঁটাঘাটি আমাদের স্ট্রেস হরমোন বাড়িয়ে দেয়। এই স্ট্রেস হরমোনের কারণে ওজনও বেড়ে যায়।

স্মার্টফোন একজন মানুষ এর কর্মক্ষেত্রে ক্রমাগত বাধা এবং বিভ্রান্তি তৈরি করে যা একজন মানুষের কর্মজীবনে এবং ব্যক্তিগত জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে। যারা নিয়মিত ইমেল এবং ফোন কল অথবা ফোনের নোটিফিকেশন দ্বারা বিভ্রান্ত হন, যেকোনো কাজে তাদের আইকিউ হ্রাসের  পরিমাণ ১০ পয়েন্ট, যা আইকিউ এর উপর মারিজুয়ানা ধূমপানের প্রভাবের দ্বিগুন বলে গবেষকরা বলে থাকেন।

একটি গবেষণায় ১,১০০ জন অংশগ্রহণকারীর অর্ধেকেরও বেশি বলেছেন যে তারা সবসময় তাৎক্ষণিকভাবে বা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একটি ইমেইলে সাড়া দেন, অন্যদিকে ২১% স্বীকার করেছেন যে তারা এটি করার জন্য একটি সভায় বাধা দেবেন। স্মার্টফোনের ফলে সৃষ্ট ক্রমাগত বাধাগুলি রাতের ঘুম হারানোর মতো একই প্রভাব ফেলতে পারে কিছু কিছু ক্ষেত্রে তার চেয়ে মারাত্মক প্রভাব ও ফেলতে সক্ষম।

বর্তমা প্রজন্মের তরুণ মস্তিষ্ক পূর্ববর্তী প্রজন্মের চেয়ে দ্রুত তথ্য প্রক্রিয়াজাত করতে পারে, এবং তাই তারা এক কাজ থেকে আরেক কাজে সহজেই স্থানান্তর করতে পারে। এই আধুনিক প্রযুক্তির যুগে বেড়ে ওঠা লোকেরা কাজ স্থানান্তরের জন্য আরও ভাল শর্তযুক্ত হতে পারে। কিন্তু এই গবেষণাটি একটি মূল পাল্টা থিমও প্রকাশ করছে যা আমাদের এটি জানাচ্ছে যে পূর্ববতী প্রজন্মের বয়স্ক প্রাপ্তবয়স্করা আরও স্থিতিস্থাপক এবং দীর্ঘস্থায়ী মনোযোগের কারণে মনোনিবেশ এবং শেখার ক্ষমতাতে মানসিকভাবে উচ্চতর হতে পারে।

স্মার্টফোন আসক্তি থেকে মুক্ত হবার উপায়

1. বই পড়া

ভালো একটি উপন্যাস কিংবা গল্পের বই পড়ুন। আটলান্টার এমোরি ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় প্রতিদিন সকালে কিছু মানুষের মস্তিষ্কের এফএমআরআই স্ক্যান করা হয়। এই মানুষগুলোড় প্রত্যেকেই রাতের বেলায় কোনো নাহ কোনো বই পড়ছিলো। স্ক্যানগুলি দেখায় যে প্রতিদিন রাতে বই পড়ার ফলে তাদের মস্তিকের ভাষার সাথে যুক্ত অংশটি বর্ধিত সংযোগ দেখায়। এবং সবচেয়ে আকর্ষণীয় ব্যাপার হলো যে অংশগ্রহণকারীরা বইটি শেষ করার পর পাঁচ দিনের জন্য স্নায়ুতন্ত্রের পরিবর্তন অব্যাহত থাকে।

2. ফাইভ মোর রুল

Five More Rule

এই রুলটি ভালভাবে মনোনিবেশ করা ও মনোযোগ শেখার একটি সহজ উপায়। রুলটি এইভাবে কাজ করে যে, যখনই আপনি কোনো কাজ করা অবস্থায় কাজটি ছাড়তে চান তখন কাজটি কেবলমাত্র আরও পাঁচ মিনিট করুন, এইভাবে প্রতিনিয়ত পাঁচ মিনিট পাঁচ মিনিট করে বৃদ্ধি করতে থাকুন। আরও পাঁচটি অনুশীলন, আরও পাঁচটি পৃষ্ঠা এইভাবে করতে থাকুন যা আপনার মনোযোগ বাড়িয়ে দেবে।

নিয়মটি আপনাকে হতাশার সীমার বাইরে ঠেলে দেয় এবং মানসিক একাগ্রতা তৈরি করতে সহায়তা করে। এটি প্রশিক্ষণের একটি রূপ এবং সেইসাথে কিছু অর্জন করার একটি উপায়। বসে থাকাটা অর্জন করা সহজ ব্যাপার বলে মনে হবে। কিন্তু এটা শোনার চেয়ে কঠিন।

রুলটির কার্যক্ষমতা ধ্যানের সমতুল্য, যা একাগ্রতা বাড়ানোর একটি কার্যকর উপায় হতে পারে। এই ক্ষেত্রে, তবে, কেবল একটি আরামদায়ক, নিশ্চুপ অবস্থানে প্রবেশ করুন এবং স্থির হয়ে বসে থাকুন এবং পাঁচ মিনিটের জন্য কিছুই করবেন না। ক্রিয়াকলাপগুলির মধ্যে বিরতি হিসাবে এটি ব্যবহার করুন। অবশ্যই, যদি আপনি ইতিমধ্যে ধ্যান অনুশীলন করেন তবে দ্রুত সময় বেরিয়ে যাওয়ার জন্য এটিকে শ্বাসের সাথে যুক্ত করুন।

3. নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম

দুর্বল ঘুম এবং দীর্ঘস্থায়ীভাবে নিদ্রিত হওয়া ঘনত্বকে প্রভাবিত করে, সেইসাথে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য সেই স্ট্রেস হরমোনগুলিকে আরও শক্তিশালী করে, এটি কিছুটা দুষ্ট বৃত্ত তৈরি করে। ঘুমের উন্নতি রাতারাতি ঘটতে পারে না, বিশেষত যদি এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হয়, তবে এটি উন্নত করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া কয়েক দিনের পরিবর্তে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ফলাফল দেবে।

নিয়মিত ভালো ঘুম আসার প্রক্রিয়া শুরু করার প্রথম ধাপ হলো টিভি, কম্পিউটার এবং অন্যান্য প্রযুক্তি সমূহকে বেডরুম থেকে বের করে দেওয়া। যদিও যেকোনো ধরনের আলো ঘুমকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে, গবেষণায় দেখা গেছে যে যেকোনো প্রযুক্তি থেকে নিঃসরিত বর্ণালীর নীল প্রান্তের দিকের আলো মস্তিককে জাগ্রত রাখতে বিশেষভাবে কার্যকর কারণ এটি চোখের রেটিনাকে উদ্দীপিত করে এবং মস্তিষ্কের পাইনাল গ্রন্থি থেকে মেলাটোনিন নিঃসরণকে বাধা দেয়।

কম্পিউটার স্ক্রিন, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন, ফ্ল্যাট স্ক্রিন টিভি এবং এলইডি আলো সবই প্রচুর পরিমাণে নীল আলো নিঃসরণ করে এবং ঘুমানোর চেষ্টা করার আগে এগুলি এড়িয়ে চলা গুরুত্বপূর্ণ। অধ্যাপক রিচার্ড ওয়াইজম্যানের গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৮০% মানুষ নিয়মিতভাবে এই ডিভাইসগুলি ব্যবহার করেন এবং 18 থেকে 24 বছর বয়সীদের মধ্যে এই সংখ্যা 91% পর্যন্ত বৃদ্ধি পায় যাদের মধ্যে ৫০% এর বেশি মানুষের অনিদ্রা ও অন্যান্য সমস্যা দেখা যায়।

অ্যাম্বার-টিন্টেড চশমা ঝলকানি কাটতে পারে, এবং বাণিজ্যিকভাবে উত্পাদিত নীল-আলো ব্লকিং ফিল্টারগুলির সাথে স্ক্রিনগুলি ফিট করাও সম্ভব। আরেকটি সমাধান, অবশ্যই, অনিদ্রা এড়াতে এবং ঘুম উন্নত করতে সাহায্য করার জন্য বিছানার আগে সমস্ত ইলেকট্রনিক ডিভাইস এড়ানো।

শেষ কথা

স্মৃতিশক্তির বৃদ্ধির সাথে মানুষের আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার ও স্মার্টফোন আসক্তির একটি গভীর সম্পর্ক আছে। স্মার্টফোন আসক্তি থেকে আপনি নিজেকে মুক্ত রাখতে সহায়তা করতে পারবেন যদি আপনি আপনার আবেগের উপর, আপনার আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে সক্ষম হন।

মানুষের সব কাজের উৎস তাঁর মস্তিষ্ক,তাই মস্তিষ্কের সাথে মানুষের আবেগ দ্বারা প্রভাবিত আচরণের’ বিষয়টি অন্যতম। আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা কি? কিংবা কিভাবে আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার সঠিক ব্যবহার আপনাকে জীবনে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে? কিভাবে আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার যথাযথ প্রকাশ আপনার জীবন থেকে স্মৃতিশক্তি হ্রাসের মত জটিল বিষয়কে দূরে রাখতে সহায়তা করে জানতে চাইলে এখনি নিজেকে ইনরোল করে ফেলুন আমাদের “Emotional Intelligence” কোর্সটিতে।

এই কোর্সটি আপনাকে শুধু স্মার্টফোন আসক্তি নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করবে এমন না, বরং এই কোর্স করার মাধ্যমে আপনি কিভাবে নিজে নিজের আবেগ এর উপরে নিয়ন্ত্রণ করবেন কিংবা কিভাবে নিজের আবেগীয় বুদ্ধিমত্তাকে শাণিত করবেন তার সম্পর্কেও জানতে পারবেন।

তাহলে আর দেরী কেন?? অতি দ্রুত রেজিস্টার করে ফেলুন “Emotional Intelligence” কোর্সে এবং একবিংশ শতাব্দীতে বিষণ্ণতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নিজেকে এগিয়ে রাখুন। সবসময় মনে রাখবেন স্মৃতিশক্তির বৃদ্ধি হওয়া কিংবা স্মৃতিশক্তির হ্রাস হওয়া উভয়ই জীবনে গুরুত্বপূর্ণ। কোর্সে কী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে সে সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য এবং কোর্সে নাম লেখাতে নীচের বাটনে ক্লিক করুন এখনই।

Comments (2)


  1. ভিডিও গেম ও সহিংস আচরণ : সত্য নাকি মিথ?? – Interactive Cares

    […] […]

  2. মাল্টিটাস্কিং – প্রয়োজনীয় অভ্যাস নাকি ক্ষতিকর অভ্যাস – Interactive Cares

    […] […]

leave your comment