For a better experience please change your browser to CHROME, FIREFOX, OPERA or Internet Explorer.
লিডারশীপ ডেভেলপ করার ৫টি স্টেপ

লিডারশীপ ডেভেলপ করার ৫টি স্টেপ

লিডারশীপ বা নেতৃত্ব হলো বল প্রয়োগ ছাড়াই অন্যদের একটি নিদিষ্ট পথে চালিত করার ক্ষমতা।

লিডারশীপ মূলত একটি স্কিল যা অন্য সবার থেকে ব্যক্তিকে আলাদা ভাবে প্রকাশ করে। সহজ ভাবে বলতে গেলে লিডারশীপ হলো এমন একটি বিশেষ গুণ যার মাধ্যমে একটি দল বা সমষ্টিকে দিক নির্দেশনা প্রদান করার ক্ষমতা বিদ্যমান থাকে।

আর যিনি এই ক্ষমতার অধিকারী তাকে বলা হয় লিডার বা নেতা। ইংরেজিতে বলা হয়-

A leader is one who  knows  the way, goes the way, and shows the way.

লিডার হতে পারে যেকোন সমষ্টির, কোম্পানি, প্রতিষ্ঠান,সংগঠন, ক্লাব বা ছোট বড় দল গঠনের দায়িত্বে। বেশিরভাগ মানুষ লিডারশীপ কোয়ালিফিকেশন এর কথা শুনলেই নিজেকে সেখান থেকে গুটিয়ে নেয়। কিন্তু অনেকেই জানে না লিডারশীপ ডেফলপ করা তেমন কঠিন কোনো ব্যাপার নয়। কয়েকটি স্টেপ ফলো করলেই নিজের মাঝে লিডারশীপ গুনটি বৃদ্ধি করা যায়।

স্টেপ-১ গ্রহণযোগ্য হওয়া

ব্যক্তিভেদে ব্যক্তির গ্রহণযোগ্যতা অনেকটা ভিন্ন হয়ে থাকে। আপনাকে একজন আদর্শ লিডার হতে হলেও সকলের নিকট গ্রহণযোগ্যতা থাকতে হবে।

 কম্পিউটার,খেলা দেখা, বিভিন্ন ভলান্টারি একটিভিটি হয় এমন ইভেন্টে অংশগ্রহণ।  যেকোন কাজের ক্ষেত্রে সময় মেইনটেইন করা এমনকি সময়ের আগে যেয়ে পৌছানো। বিভিন্ন কাজে নিজের হাত লাগানো, সাহায্য সহযোগিতা করা।

  বিভিন্ন কাজ দেখা, অবজার্ভ করা, মনিটর করা এবং সকলের সাথে কথা বলা বা কুশল বিনিময় ও ভাব বিনিময় করা, মতামত নেওয়া। আশেপাশের সকলের সাথে মেশা, গল্প করা, আড্ডা  ইত্যাদির মাধ্যমে নিজেকে সকলের নিকট গ্রহণযোগ্য করে তোলা। 

Are you a leader or want to be a leader?

যদি বলেন হ্যাঁ তাহলে বলব keep moving forward আর যদি বলেন না তাহলে বলব trying to be one! 

স্টেপ-২ সহযোগী হওয়া

communication eachother

যেকোন কাজে নিজেকে যখন তুমি বিলিয়ে দিবে তখন অন্যরাও তোমাকে লক্ষ্য করবে। সকলের মাঝে সহযোগী মনোভাব গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।  যখন তুমি সকলের নিকট এভেইলএবল হবে তখন অন্যরাও তোমাকে বিভিন্নকাজে ডাকবে পরিচিতি পাবে। তোমার কাছে কেউ সাহায্যের জন্য আসলে তাকে সৎ উপদেশ ও সাহায্য করো। কেউ কোনো কিছু চাইলে বলবে-অবশ্যই। তাকে সর্বাত্মক সহায়তা করার চেষ্টা করবে। নিজেকে ভলান্টিয়ার হিসেবে নিবেদিত কর বিভিন্ন অর্গানাইজেশন,ক্লাববা প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত হন। সেচ্ছাসেবী বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে নিজের মাঝে লিডারশীপ স্কিল ডেভেলপ করতে পারবে। 

স্টেপ-৩ অনুসারী হওয়া

বিভিন্ন অর্গানাইজেশন এর সাথে যুক্ত হয়ে সেখানকার নেতাকর্মীদের অনুসরণ করতে পারেন।

যেকোন সংগঠনে আপনাকে দিনরাত ২৪ ঘন্টাই সময় দিতে হবে এমনটি নয় মাসে ৩-৪ ঘন্টা সময় দিলে হয়। সেক্ষেত্রে নিজের পড়াশুনা বাদ দেওয়া যাবে না।  তবে পড়াশুনা ঠিকমত কর আর নাই কর এই কাজে ফাঁকি দেওয়া উচিত না। একজন ভালো লিসেনার হতে হবে এবং নিজের মতামত জ্ঞাপন করবে। একজন ভালো লিসেনার এবং রিলায়েবল টিম মেম্বার হতে পারলে আর কিছুই প্রয়োজন হয় না।

স্টেপ-৪ লিডার মনোভাব সৃষ্টি

নিজে যখন একটি দল বা সংগঠনকে কিংবা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় নিজেকে ডেডিকেটেড করতে পারবে ততই নিজের মনোবল দৃঢ় হবে। একজন প্রকৃত লিডারের মনোবল শক্ত রাখতে হয় এবং তার আশেপাশে লক্ষ্য রাখতে হয়। অবজারভেশন স্কিল থাকাটাও বাঞ্ছনীয়।  কেননা তার দলের বা প্রতিষ্ঠানের ঘটে যাওয়া সকল কাজের জন্যই তাকে একটি সমাধান বা ফেস করতে হবে। সমস্যা সমাধান দক্ষতার পাশাপাশি লিডার মনোভাব সৃষ্টি করতে হবে। লিডারশীপ ডেভেলপ করতে লিডারশীপ মনোভাবটা ধীরে ধীরে আপনাকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। 

John & Adams বলেন-

“If you are action inspire others to dream more, learn more, do more and become more, you are a leader”

তাই নিজের মাঝে লিডারশীপ মনোভাবটা গড়ে তোলা দরকার। 

স্টেপ-৫ আত্মবিশ্বাসী হওয়া

confidence

আপনি যত আত্মবিশ্বাসী হবেন ততই নিজেকে সফল করতে পারবেন, নিজের স্কিল ডেভেলপ করতে সক্ষম হবেন। আপনার আত্মবিশ্বাস আপনাকে আপনাকে সকলের মাঝে অনুপ্রাণিত হতে সহায়তা করবে। যেকোন কাজে আপনার কনফিডেন্স বা আত্মবিশ্বাস যেমন গুরুত্বপূর্ণ ঠিক তেমনি লিডারশীপ ডেভেলপ করতে এর ভূমিকা রয়েছে। 

 

সর্বোপরী 

শুধুমাত্র লিডার বলেই যেকোন সিদ্ধান্ত একা গ্রহণ না করে সকলের মতামত নিন এবং অন্যের উপর কাজ চাপিয়ে না দিয়ে সবাই ভাগাভাগি করে ফেলুন।  সকলের সম্মিলিত করে এগিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টাই যথেষ্ট ।

leave your comment