For a better experience please change your browser to CHROME, FIREFOX, OPERA or Internet Explorer.
মাল্টিটাস্কিং – প্রয়োজনীয় অভ্যাস নাকি ক্ষতিকর অভ্যাস

মাল্টিটাস্কিং – প্রয়োজনীয় অভ্যাস নাকি ক্ষতিকর অভ্যাস

বর্তমানে আমরা এমন এক দুনিয়ায় বসবাস করছি যে দুনিয়ায় আজকাল সবকিছুই নির্ভর করছে আপনি কত দক্ষভাবে, কত কম সময়ে আপনার হাতের কাজ শেষ করতে পারছেন। বর্তমান দুনিয়াতে একটা বহুল প্রচলিত কথা হলো, “ তুমি যদি বাইরের দুনিয়ার সাথে তাল নাহ মিলিয়ে চলতে পারো তাহলে তুমি নিঃসন্দেহে অন্যদের থেকে পিছিয়ে যাবে”। তাই আজকের দুনিয়ায় সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছে একে অপরের থেকে এগিয়ে থাকতে সেটা কর্মক্ষেত্র হোক কিংবা শিক্ষাক্ষেত্র কিংবা জীবনের অন্যান্য যেকোনো পরীক্ষা।

আজকের দুনিয়ায় একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হওয়া কিংবা একে অপরের থেকে সবসময় এগিয়ে থাকার মানসিকতা বজায় রাখা তৈরী করেছে এক অভ্যাসের যার নাম হলো মাল্টিটাস্কিং। আজকের দুনিয়ায় যেকোনো বিষয়ে একে অপর থেকে এগিয়ে থাকতে মানুষ আজকাল সম্পূর্ণভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে মাল্টিটাস্কিং এর উপর। এই অতিমাত্রায় নির্ভরশীলতা জন্ম দিচ্ছে বহুল জনপ্রিয় এক প্রশ্নের মাল্টিটাস্কিং এর অভ্যাস গড়ে তোলা কি আসলে খারাপ নাকি ভালো? আজকে আমরা এই বহুল প্রচলিত প্রশ্নেরই উত্তর খুজবো আজকের ব্লগে।

Related: ভিডিও গেম ও সহিংস আচরণ : সত্য নাকি মিথ??

মাল্টিটাস্কিং কি?

1Human Multitasking

মাল্টিটাস্কিং শব্দটি দ্বারা একটি কম্পিউটারের একই সময়ে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করার ক্ষমতাকে বোঝায়। তাই মানুষের ক্ষেত্রে মাল্টিটাস্কিং বলতে, একজন মানুষের একই সময়ে একাধিক কাজ করার ক্ষমতাকে বোঝায়। এইখানে মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসতে পারে যে তাহলে কি কফি খেতে টিভি দেখা কিংবা হেডফোনে গান শুনতে শুনতে গাড়ী চালানোটাও কি মাল্টিটাস্কিং? এইজন্যে আমাদের আগে মাল্টিটাস্কিং কি তা ভালোভাবে বুঝতে হবে।

মাল্টিটাস্কিং হলো একইসাথে অর্থাৎ একই সময়ে একাধিক কাজ করতে যাওয়া, নিজের বর্তমান মনোযোগকে একটা কাজে স্থির না রেখে বহুদিকে বিক্ষিপ্ত করে দেওয়া। মাল্টিটাস্কিংকে একবিংশ শতাব্দীর নতুন আবিষ্কার ভাবলে ভুল হবে, বরং এইটা বলা যায় যে, বহুকাল আগে থেকেই মাল্টিটাস্কিং চলে আসছে। বর্তমানের এই তথ্যপ্রযুক্তির যুগে তথ্যবহুলতার ভালোর পাশাপাশি মন্দ দিকটা হলো তথ্যবহুলতা আমাদের একাগ্রতা ব্যহত করে। যার ফলে আমাদের ‘অ্যাটেনশন স্প্যান’ এখন পূর্বসুরিদের তুলনায় এমনিতেই অনেক কমে গেছে।

মাল্টিটাস্কিং এর সময় মানব মস্তিক কিভাবে কাজ করে?

মাল্টিটাস্ক করার চেষ্টা আসলে মানব মস্তিষ্কের কাজ করার পদ্ধতিতে  আমূল পরিবর্তন সাধন করে। যখন কোনো ব্যক্তি কোনও কিছুর উপর তার মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করে, তখন এটি তার মনের অনুপ্রেরণামূলক সিস্টেমের প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স অংশকে সক্রিয় করে যা মানব মস্তিষ্কের সামনের দিকে মোড়ানো।

কেউ যখন নির্দিষ্ট একটি কাজের প্রতি মনোনিবেশ করে, তখন প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্সের বাম এবং ডান উভয় দিকই একসাথে কাজ করে। কিন্তু যখন সেই ব্যক্তি মাল্টিটাস্ক করে, তখন প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্সের বাম এবং ডান উভয় দিকই স্বাধীনভাবে কাজ করার চেষ্টা করে। যদিও ব্যক্তিটি মনে করেন যে সে একই সাথে দুটি কাজ করছেন, সে আসলে তার প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্সের দুই দিকের মধ্যে স্যুইচ করছেন। এই সুইচটি এক সেকেন্ডের একটি ভগ্নাংশ নেয় এবং যদি আমরা সেই মাইক্রোসেকেন্ডগুলি যোগ করি তাহলে আমরা দেখতে পাই যে একটি কাজ করতে আমাদের যে সময় লাগতো মাল্টিটাস্কিং এর ফলে এক কাজ সম্পূর্ণ করতে আসলে একজন মানুষের ৪০% পর্যন্ত বেশি সময় লাগছে।

শুধু তাই নয়, কাজের মধ্যে স্যুইচ করা একজন ব্যক্তির কগনিটিভ রিসোর্স আস্তে আস্তে কমিয়ে দিতে থাকে, যা তাকে ভুল করতে বাধ্য করে। একজন মানুষের কাজের স্মৃতি, যুক্তি, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং শেখার ক্ষমতার জন্য একটি সীমিত ক্ষমতা রয়েছে। এই ক্ষমতাটি এমন একটি পেশীর মতো যা কেবল একটি নির্দিষ্ট ওজন তুলতে পারে এবং বিশ্রাম নাহ পেলে একই কাজে ভুল করে ফেলে।

মাল্টিটাস্কিং এবং সৃজনশীলতা

কিছুদিন আগ পর্যন্তও গবেষকদের ধারণা ছিল যে মাল্টিটাস্কিং মূলত কাজের মান হ্রাসের জন্য অনেকাংশে দায়ী। তাদের মতে, দুইটি ভিন্ন কাজ একসাথে করতে থাকলে কিংবা করার চেষ্টা করলে মানুষের মস্তিষ্ক কাজের হিসেব নিকেশ কিংবা কাজের অর্ডারে গুলিয়ে ফেলে এবং মস্তিকের ভিতরে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। একটি কাজকে অসম্পন্ন রেখে আরেকটি কাজে মনোনিবেশ করলে দুটি কাজই সঠিকভাবে সম্পন্নের দিকে অগ্রসরের হার হ্রাস পায়।

যদি আমরা উদাহরণের দিকে চিন্তা করি তাহলে আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের দিকে খেয়াল করতে পারি। আমরা যখন একই সাথে পড়াশোনা করতে থাকি এবং এক হাতে স্মার্টফোন টিপতে থাকি তাহলে সমূহ সম্ভাবনা এটা থাকে যে, আমরা আমাদের পড়া কোনো কিছুই মনে রাখতে পারবো নাহ। মানব মস্তিকের এই আচরণকে ভিত্তি করে মনোবিজ্ঞানের জগতে অসংখ্য গবেষণা করা হয়েছে এবং গবেষণা সমূহের সফলতাও স্বীকার করা হয়েছে। তবে এসব কাজের প্রতিটিই প্রকৃতপক্ষে মাল্টিটাস্কিংয়ের তাৎক্ষণিক ফলাফলের উপর নজর দিয়ে প্রাপ্ত তথ্যকে বিশ্লেষণপূর্বক একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে। ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারোলাইনার কেনান ফ্ল্যাগলার বিজনেস স্কুলে অর্গানাইজেশনাল বিহেভিয়ারের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত শিমুল মেলওয়ানি তার সাবেক ছাত্রী চৈতালী কাপাডিয়া যৌথভাবে বেশ কিছু গবেষণা পরিচালনা করেছেন মাল্টিটাস্কিংয়ের সাথে সৃষ্টিশীলতার সম্পর্ক নিয়ে।

তাদের পরিচালিত গবেষণায় সকল অংশগ্রহণকারীদের দুইটি ভাগে ভাগ করা হয় এবং প্রত্যেককে বাধ্যতামূলকভাবে একটি কনফারেন্স কলে অংশ নিতে বলা হয়। তবে মজার ব্যাপার হলো যে একটি দল কলে থাকা অবস্থাতেই তাদের কাছে আসা একটি ইমেইলের উত্তর দেয় এবং অন্য দল কল শেষ করে তারপর ইমেইলের উত্তর দেয়। এরপর প্রত্যেক দলের সদস্যদেরই অল্টারনেটিভ ইউজারস টেস্টে অংশ নিতে বলা হয়। এই পরীক্ষায় তাদের আশপাশের যেকোনো পরিচিত বস্তুকে ভিন্ন পরিচয় প্রদান করে অন্য দলকে এবং বিচারকদের চেনানোর জন্য বলা হয় পরীক্ষা শেষে বিচারকরা অংশগ্রহণকারীদের আইডিয়াগুলো কতটা স্বকীয় এবং মৌলিক ছিল সেটার ওপর মন্তব্য করেন।

বিচারক দের মতামত প্রদানের পরে দেখা যায় যে যারা ইমেইল ও কনফারেন্স কলের সময়ে মাল্টিটাস্কিং দলে ছিলেন, তারা বস্তুর বিকল্প ব্যবহার হিসেবে অধিকতর সৃজনশীল এবং ভিন্নধর্মী আইডিয়া দিতে পেরেছিলেন। পরবর্তীতে এই দু’দলকে এমন একটি শব্দজট সমাধান করতে দেওয়া হয় যেখানে মস্তিষ্কের সৃজনশীলতার চেয়ে বরং বিশ্লেষণধর্মীতার বিচার হয় বেশি। এই শব্দজট খেলার দক্ষতায় তেমন কোনো প্রভাব লক্ষ্য করা যায়নি। এর থেকে তারা গবেষকগণ সিদ্ধান্ত নেন যে সৃজনশীলতার সাথেই মাল্টিটাস্কিং সূক্ষ্মভাবে জড়িত।

মেলওয়ানি ও কাপাডিয়া আরেকটি গবেষণা পরিচালনা করেন বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় কর্মরত ১৫০ জন ওয়েটার ও ওয়েট্রেসের ওপর। এই গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের প্রত্যেককেই তাদের অদেখা একটি ভিনগ্রহবাসীর ছবি আঁকতে বলা হয়। এর পাশাপাশি তারা অল্টারনেটিভ ইউজারস টেস্টেও অংশ নেন।

এই গবেষণা এর গবেষক দের মতে যার আকা ছবি যত বেশি মানুষের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হবে, তত বেশি শিল্পীর চিন্তার সীমারেখা কম প্রকাশপাবে। এবং অন্য দিকে, যত বেশি মানুষ থেকে আলাদা অথবা স্টেরিওটাইপ ভিনগ্রহবাসী থেকে ভিন্ন, শিল্পীর চিন্তন দক্ষতা তত বেশি। এই পরীক্ষায় গবেষকগণ আশ্চর্যভাবে খেয়াল করেন যে, যেসব কর্মী ব্যস্ত সময়ে কাজ করেন, তারা তত বেশি মাল্টিটাস্কিং করতে বাধ্য হন। এরই বদৌলতে তারা তত বেশি অভিনব ভিনগ্রহবাসীর ছবি এঁকেছিলেন।

পরবর্তীতে গবেষণায় অংশগ্রহণকারীরা স্বীকার করেন যে, যে যত বেশি মাল্টিটাস্কিং করতে পেরেছিলেন, তত বেশি তার কাছে নিজেকে সতেজ ও প্রাণবন্ত লেগেছিল। যার ফলে তার অতিমাত্রায় চিন্তন ক্ষমতা এবং সৃজনশীলতা প্রকাশ পেয়েছিলো।

Related: স্মার্টফোন ও মনোযোগ-অসম বৈপরীত্যের গল্প

মাল্টিটাস্কিং এবং উৎপাদনশীলতা

মাল্টিটাস্কিং উৎপাদনশীলতা এর উপর গুরুতর প্রভাব ফেলে। আমাদের মস্তিষ্কে একই সাথে একাধিক কাজ সম্পাদন করার ক্ষমতার অভাব রয়েছে এমন মুহুর্তে যেখানে আমরা মনে করি যে আমরা মাল্টিটাস্কিং করছি, আমরা সম্ভবত দ্রুত একটি কাজ থেকে আরেকটি কাজে স্যুইচ করছি।

মাল্টিটাস্কাররা সাধারণত একবারে একটি কাজে মনোনিবেশ করা ব্যক্তিদের চেয়ে বেশি বিভ্রান্ত বোধ করেন। কিছু গবেষণা ইঙ্গিত দেয় যে মাল্টিটাস্কারগুলি সাধারণ মানুষের তুলনায় আরও বেশি বিভ্রান্তিকর এবং তারা একবারে একাধিক কাজে কাজ না করলেও তাদের মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করতে সমস্যা হতে পারে। অন্যান্য গবেষণা দেখায় যে যদিও মাল্টিটাস্কিং এবং বিভ্রান্তির মধ্যে একটি সংযোগ থাকতে পারে, সেই সংযোগটি মূলত চিন্তার চেয়ে ছোট এবং ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে বেশ কিছুটা পরিবর্তিত হয়।

মনোবিজ্ঞানীরা যাকে “টাস্ক সুইচ খরচ” বা কাজ থেকে কাজে স্যুইচ করা থেকে আসা নেতিবাচক প্রভাবগুলির দিকে পরিচালিত করার জন্যে প্রধানত দায়ী করেন তার মধ্যে অন্যতম একটি হলো মাল্টিটাস্কিং । একটি কাজ থেকে আরেকটি কাজে ফোকাস পরিবর্তন করা দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য স্বয়ংক্রিয় আচরণের উপর নির্ভর করা থেকে বিরত রাখে। যখন একটি মাত্র কাজের দিকে মনোনিবেশ করা হয় যা আগেও করা হয়েছে, তখন সাধারণত মানব মস্তিস্ক  স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম চাপ নিয়ে কাজ করে, যা মানসিক স্বাস্থ্যের বড় কোনো ক্ষতি থেকে মুক্ত করে।

মাল্টিটাস্কিং একজন মানুষের কর্মক্ষমতা হ্রাস করার ক্ষমতা রাখে এবং মানুষজনকে তাদের কাজে ভুল করার প্রবণতা আরও বাড়িয়ে তোলে। এক গবেষণায় দেখা গেছে যে যে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে মাল্টিটাস্ক করে তাদের গ্রেড এবং মার্ক উভয়েই অনেক কম থাকে। গবেষকগণ আরও মনে করেন যে যদি তারা বাড়িতে মাল্টিটাস্কিং চালিয়ে যায় তবে তারা প্রায়শই তাদের হোমওয়ার্ক শেষ করতে বেশি সময় নেয়। মাল্টিটাস্কিংয়ের সময় প্রাপ্তবয়স্করাও কম কর্মক্ষমতা অনুভব করতে পারে।

শেষকথা

উপরের ব্লগটিতে আমরা চেষ্টা করেছি মাল্টিটাস্কিং এর ব্যাপারে আপনাদের সামনে বিভিন্ন গবেষণালব্ধ ফলাফল হাজির করতে এবং মাল্টিটাস্কিং এর সপক্ষে এবং বিপক্ষে-উভয় পক্ষেই প্রয়োজনীয় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করতে।

মানুষের সব কাজের উৎস তাঁর মস্তিষ্ক,তাই মস্তিষ্কের সাথে মানুষের মাল্টিটাস্কিং এবং মাল্টিটাস্কিং এর বিভিন্ন প্রভাব এর বিষয়টি অন্যতম। আবার বিভিন্ন গবেষকদের মতে আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা এর সাথেও মাল্টিটাস্কিং এক গভীর সম্পর্ক আছে। আমরা যেমন কয়েকটি মূল পরিস্থিতিও জানি যেখানে মাল্টিটাস্কিং কিছু বাস্তব সুবিধা সরবরাহ করতে পারে, যাতে আমরা আমাদের মানসিক স্বচ্ছতা ত্যাগ না করে বা আমাদের বুদ্ধির সাথে আপস না করে আমাদের মস্তিষ্কের বিভ্রান্তির ক্ষুধাকে প্রশ্রয় দিতে পারি তেমনি এমন কিছু ক্ষেত্রও জানি যেখানে মাল্টিটাস্কিং মানব মস্তিস্কের জন্য প্রচুর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে থাকে।

তাই আপনি মাল্টিটাস্কিং করবেন কি করবেন নাহ তা সম্পূর্ণভাবে আপনার সিদ্ধান্ত। যদি আপনি  চান যে আপনার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার ক্ষমতা এর উন্নতি করতে তাহলে এখনি নিজেকে ইনরোল করে ফেলুন আমাদের “Emotional Intelligence” কোর্সটিতে।

এই কোর্সটি আপনাকে শুধু বিভিন্ন বিষয়ে ক্ষমতা গ্রহণ এর ব্যাপারে সহায়তা করবে এমন না, বরং এই কোর্স করার মাধ্যমে আপনি কিভাবে নিজে নিজের আবেগ এর উপরে নিয়ন্ত্রণ করবেন কিংবা কিভাবে নিজের আবেগীয় বুদ্ধিমত্তাকে শাণিত করবেন তার সম্পর্কেও জানতে পারবেন।

তাহলে আর দেরী কেন?? অতি দ্রুত রেজিস্টার করে ফেলুন “Emotional Intelligence” কোর্সে এবং একবিংশ শতাব্দীতে নিজেকে এগিয়ে রাখুন। কোর্সে কী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে সে সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য এবং কোর্সে নাম লেখাতে নীচের বাটনে ক্লিক করুন এখনই।

leave your comment