For a better experience please change your browser to CHROME, FIREFOX, OPERA or Internet Explorer.
পাইথন শিখে গঠন করুন ক্যারিয়ার

পাইথন শিখে গঠন করুন ক্যারিয়ার

আপনি কি প্রোগ্রামিং সেক্টরে নিজের  ক্যারিয়ার গড়ার কথা ভবছেন ?

কিন্তু কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ  নিয়ে কাজ শুরু করবেন তা নিয়ে চিন্তিত?

 

বর্তমানে   প্রযুক্তির  যুগে  মানুষ পেশা নির্বাচনের ক্ষেত্রে আগের থেকে অনেক বেশি সচেতন হয়েছে। তাই এখন মানুষ গতানুগতিক পেশার দিকে না ছুটে চাহিদাসম্পন্ন পেশার দিকে ঝুকে পড়ছে সবাই । তথ্য প্রযুক্তিকে সমৃদ্ধ বর্তমান যুগে মানুষ এখন তাই প্রযুক্তিতে অবদান রাখার তাগিদে প্রোগ্রামার হিসেবে আত্নপ্রকাশ করছে সবচেয়ে বেশি । যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে এবং তথ্য প্রযুক্তির খাতে নিজের অবদান  জানান দিতে চাইলে প্রোগ্রামিং ক্যারিয়ার গঠনের বিকল্প নেই।

 

যারা প্রোগ্রামার হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গঠন করতে চায় কিন্তু প্রথমের কোন ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে কাজ শুরু করবে তা  নিয়ে ঝামেলায় পরে যায়। তাই আজ আমি এমন একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে  আলোচনা করব যার হাতেখড়ি দিয়ে আপনি পা রাখতে পারেন প্রোগ্রামিং জগতে।আজ আলোচনার বিষয়বস্তু হলো পাইথন। ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাকগ্রাউন্ডের এমন কোনো মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে  যারা পাইথনের নাম শুনেন নি। সর্বস্তরে ব্যবহৃত এবং সেই সাথে একটি জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবে সর্বস্তরে স্বীকৃত  হলো পাইথন। তাই প্রযুক্তির এই যাত্রায় নিজেকে এগিয়ে রাখতে চাইলে প্রস্তুতি শুরু করতে হবে পাইথন দিয়ে।

 

একটি হাইলেভেল এবং অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো পাইথন। জটিল সব প্রোগ্রাম থেকে শুরু সহজ যেকোনো প্রজেক্ট  তৈরির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় জনপ্রিয় ল্যাঙ্গুয়েজ পাইথনকে। বাকি সকল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর সাথে পাল্লা দিয়ে পাইথন জনপ্রিয়তার শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে। এর অসাধারণ সব সিনট্যাক্স থেকে শুরু করে এর সর্বস্তরে বহুমুখী ব্যবহার বাকি সকল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ থেকে আলাদা করে রেখেছে। খুব দ্রুত  প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজটি আয়ত্তে  করা যায় বিধায় সকলের পছন্দের তালিকার শীর্ষে রয়েছে পাইথন।

 

পাইথন এমন একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যা দিয়ে একই সাথে নানা ধরণের প্রোগ্রামিং করা যায়। নানা ধরণের কাজে ,বিভিন্ন এপ্লিকেশন যেমন এন্ড্রয়েড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এপ্লিকেশন তৈরিতে পাইথন ব্যবহার করা হয় সবচেয়ে বেশি। এর সহজবোধ্যতা এবং বহুমুখী ব্যবহার মানুষকে এই প্রোগ্রামিং বেছে  নেওয়ার  ক্ষেত্রে সাহায্য করেছে সবচেয়ে বেশি। তাছাড়াও পাইথনের রয়েছে বিল্ট ইন ফাংশন সুবিধা যা দিয়ে ভ্যারিয়েবল টাইপের বিভিন্ন ব্যবহার খুব সহজে পরীক্ষা করা যায়। পাইথনের রয়েছে সয়ংক্রিয় পরিবর্তনশীল মেমোরি ব্যবস্থাপনার সুবিধা যা  প্রোমারদের এই প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার আরো বেশি করে তুলেছে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্ট এবং ডেটা সাইন্স এর গবেষণার ক্ষেত্রে পাইথন ছাড়া এক মুহূর্ত কল্পনা করা সম্ভব নয়। নানান ধরণের গুরুত্বপূর্ণ ডাটাবেজস সংরক্ষণের ক্ষেত্রে এবং সাইবার সিকিউরিটির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের ব্যবহার করা হয় পাইথনকে।

 

পাইথন এমন একটি মুক্ত সোর্স ল্যাঙ্গুয়েজ যার সুবিধার কথা এক বাক্যে বলে শেষ করা যাবে না। তবুও আপনাদের সুবিধার কথা চিন্তা করে পাইথনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার তুলে ধরার চেষ্টা করছি :

  • যেকোনো ধরনের প্ল্যাটফর্মের ক্ষেত্রে পাইথনকে ব্যবহারকারী খুব সহজে ব্যবহার করতে পারবেন। 
  • নানা ধরণের এপ্লিকেশন তৈরিতে এর বহুমুখী ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। 
  • বর্তমানে চাহিদাবহুল IIOT প্লাটফর্মের ক্ষেত্রে পাইথনকে খুব সহজে নানা ক্ষেত্রে কাজে লাগানো যায়।
  • পাইথনের ডেটা স্ট্রাকচার অনেক বেশি ইউজার ফ্রেন্ডলি হবার কারণে এর ব্যবহার সর্বস্তরে পরিগণিত হয়। 
  • পাইথনে অনেক কম কোডিং করতে হয় বিধায় যেকোনো প্রজেক্ট এর ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে ব্যবহার করে পাইথনকে।

 

চাকরির বাজারে একজন পাইথন ডেভেলপারের এর চাহিদা তুঙ্গে রয়েছে। পাইথনের ক্ষেত্র ব্যাপক বিধায় একজন পাইথন ডেভেলপার যেকোনো সেক্টরে নিজের ক্যারিয়ার গঠনের পরিপূর্ণ সুযোগ রয়েছে। একজন পাইথন ডেপেলপার এর পরিপূর্ণ  এর  বিভিন্ন প্রজেক্ট ডেভেলপমেন্ট এর সুযোগ সেই সাথে রয়েছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স এর কোনো সেক্টরে কাজ করার সুযোগ। এছাড়া মেশিন লার্নিং সেক্টরে রয়েছে পাইথন ডেভেলপারদের রয়েছে  অনেক চাহিদা।শুধুমাত্র পাইথন শিখে ডেটা সাইন্টিস্ট কিংবা ডেটা অ্যানালিস্ট হিসেবে কাজ করার সূবর্ন সুযোগ। 

 

প্রযুক্তির এই যাত্রায় যদি নিজেকে এগিয়ে রাখতে চান তাহলে হয়ে উঠুন একজন পাইথন ডেভেলপার।একজন পাইথন ডেভেলপার হিসেবে একটি সুন্দর ক্যারিয়ার অপেক্ষা করছে আপনার জন্য। তাই সময় হাতে থাকতে আজই শিখতে হবে পাইথন।

 

leave your comment