For a better experience please change your browser to CHROME, FIREFOX, OPERA or Internet Explorer.
ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে হাতেখড়ি

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে হাতেখড়ি

আপনি কি উদ্যোক্তা হতে চান?
মার্কেটিং সেক্টরে নিজের ক্যারিয়ার গড়ার কথা ভাবছেন?

ডিজিটাল মার্কেটিং হতে পারে আপনার মার্কেটিং সেক্টরে ক্যারিয়ার গঠনের প্রধান সিঁড়ি।একসময় মার্কেটিং শব্দটি ব্যবসায় সংক্রান্ত খাতে খুবই প্রচলন ছিল।কিন্তু সময়ের সাথে সাথে মানুষের কাজের ধরণ যেমন পাল্টেছে ঠিক তেমনিভাবে কর্মক্ষেত্র নতুন নতুন কর্মপদ্ধতি যুক্ত হয়েছে।ডিজিটাল মার্কেটিং আজকাল শুধুমাত্র ব্যবসা খাতে নয় বরং প্রযুক্তি খাতেও অবাধ পদচারণা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।ধরুণ আপনি যদি কোন সফটওয়্যার গ্রাহকদের সামনে তুলে ধরতে চান সেই ক্ষেত্রে মার্কেটিং প্রয়োজন।তাই এখন ডিজিটাল মার্কেটিং এখন হয়ে উঠেছে এখন সকলের আশা ও ভরসার একমাত্র কেন্দ্রবিন্দু।

কোন ধরণের ব্যক্তি বিশেষের প্রতিষ্ঠান কিংবা প্রতিষ্ঠানের পণ্যসমূহকে প্রযুক্তি ব্যবহার করে খুব অল্প সময়ের মধ্যে অধিক সংখ্যক গ্রাহকদের নিকট পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমকে বলা হয় ডিজিটাল মার্কেটিং। বেশ কিছু সময় পূর্বে প্রতিষ্ঠানকে তাদের পণ্যসমূহকে ব্র‍্যান্ডিং কিংবা প্রমোটিং করার জন্য পত্রিকা কিংবা বিলবোর্ড বিজ্ঞাপনের সাহায্য নিতে হত।কিন্তু সময় পাল্টেছে। সময়ের সাথে সাথে মানুষ তাদের জীবনযাত্রা এখন হয়ে উঠেছে অনলাইন নির্ভর। পত্রিকা পড়া,পড়াশোনা করা,অফিস করা কিংবা কেনাকাটা করা এখন সকল কিছু হয়ে উঠেছে অনলাইন নির্ভর। তাই আপনি যে ধরণের ব্যবসা শুরু করতে চান না কেন পণ্য প্রচারণার ক্ষেত্রে ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিকল্প নেই।

ডিজিটাল মার্কেটিং ব্যবহার করে আপনি আপনার ব্যবসাকে পৌঁছে নিতে পারবেন এক অনন্য উচ্চতায়।তাই ব্যবসা শুরু করার ক্ষেত্রে কিংবা পন্য প্রমোটের ক্ষেত্রে ডিজিটাল মার্কেটিংয়েত বিকল্প নেই। এখন আসি ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আপনি কি করতে পারবেন?

১.ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আপনার পণ্যকে বৃহৎ পরিসরে তুলে ধরতে পারবেন।

২.আপনার পন্য কিংবা প্রতিষ্ঠানের ব্র‍্যান্ড ভ্যালু বাড়াতে পারবেন।

৩.অল্প সময়ের মধ্যে অধিক সংখ্যক গ্রাহকদের নিকট পন্যকে প্রচার করতে পারবেন।

৪.ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে ব্যবসায় পরিচিতি তুলে ধরতে পারবেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং করার কিছু ধাপ রয়েছে।আপনাদের সুবিধার্থে কিছু ধাপ তুলে ধরার চেষ্টা করছিঃ
১.সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংঃ
আজকাল সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংয়ের মাধ্যমগুলো আপনার পণ্যের বিজ্ঞাপন অধিক সংখ্যক গ্রাহকদের রিচ করতে সক্ষম হবেন। এতে মানুষ আপনার পণ্য সম্পর্কে জানবে এবং কেনার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করবে।

২.এফিলিয়েট মার্কেটিংঃ
কোন পন্যসমূহের চাহিদাকে মাথায় রেখে সেই সকল পণ্যসমূহের রিভিঊ করা কিংবা প্রডাক্ট সমূহকে প্রচার করাই হলো এফিলিয়েট মার্কেটিং।এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে ক্রেতা পণ্য সম্পর্কে যেমন ধারণা লাভ করতে পারে।ঠিক তেমনিভাবে পন্য সম্পর্কে কেনার ব্যাপারে আগ্রহ পোষণ করে।

৩.ওয়েবসাইট মার্কেটিংঃ
যেকোনো ওয়েবসাইটে পণ্যসম্যহের মার্কেটিং কিংবা প্রোমোটিংকে বলা হয় ওয়েবসাইট মার্কেটিং। ওয়েবসাইট মার্কেটিংয়ে ভিজিটর খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৪.ইমেইল মার্কেটিংঃ
কিছু কিছু স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট সংখ্যক পণ্য প্রচার এবং প্রসার করার লক্ষ্যে ইমেইল পাঠানোই বলা হয় ইমেইল মার্কেটিং।

৫.ভিডিও মার্কেটিংঃ
আজকাল ভিডিও মার্কেটিং খুবই একটি জনপ্রিয় ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।ভিডিওর মাধ্যমে আপনি খুব কম সময়ে আপনার পণ্য সমূহকে প্রদর্শন করতে পারবেন সেই সাথে পণ্যসমূহের মার্কেটিং করতে পারবেন ।

৬.সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশানঃ
আপনি আপনার পণ্যসমূহকে কন্টেন্ট আকারে লিখালিখি করে সেই কন্টেন্ট সমূহকে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইনজেশন করে ভিডিটর বৃদ্ধি করার পর সেরা দশ এ নিয়ে আসাই হল এসইইউ। এসএসিউ করে আপনি আপনার কন্টেন্ট এর ভিজিটর বৃদ্ধি করতে পারবেন।এতে অধিক সংখ্যক মানুষ আপনার পন্য সম্পর্কে জানবে এবং আগ্রহ পোষণ করবে।।

বাংলাদেশ এ ধীরে ধীরে ডিজিটাল মার্কেটিং সেক্টরে এক বিরাট সম্ভাবনার খাত তৈরি হয়ে উঠেছে।আশা করি ডিজিটাল মার্কেটিংকে পুঁজি করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো এক বিরাট সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

leave your comment